কিছু নিমন্ত্রণ নেয়নি আর তারা তাদের নিজের কাজে চলে গেছিল এবং বাকিরা রাজার দাসেদের ওপর হাত তুললো আর তাদের খুন করলো.
রাজা তাঁর সৈন্য পাঠালেন, সেই খুনিদের মেরে ফেললেন এবং তাদের শহর পুড়িয়ে দিলেন.
তারপর রাজা যত লোককে পাওয়া যায় তাঁর দাসেদের দ্বারা তাদের নিমন্ত্রণ করলেন, দুধরনেরি ভালো এবং মন্দ .
রাজা তাকে বাঁধবে এবং বাইরে অন্ধকারে ফেলে দেবে.
ফরীশীরা যীশুকে ফাঁদে ফেলতে চাইছিল.
তারা যীশুকে করেছিল কৈসরকে কর দেওয়া উচিত বা অনুচিত.
যীশু বলেছিলেন যা কৈসরের তা কৈসরকে দাও এবং যা ঈশ্বরের তা ঈশ্বরকে দাও.
সুদ্দূকীরা বিশ্বাস করত যে কোন পুনরুথান নেই .
সেই স্ত্রীর সাতজন স্বামী ছিল.
যীশু বলেছিলেন, সুদ্দূকীরা শাস্ত্রবাক্য জানে না, ঈশ্বরের শক্তিও জানে না.
যীশু বলেছিলেন যে পুনরুথানের পর কোন বিয়ে হবে না .
যীশু শাস্ত্রবাক্য উদ্ধৃত করেন যেখানে ঈশ্বর বলেছেন যে তিনি আব্রাহামের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর এবং যাকোবের ঈশ্বর – জীবিতদের ঈশ্বর .
সেই ব্যবস্থা বেত্তা যীশুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কোন আজ্ঞাটা মহান আজ্ঞা ব্যবস্থায় .
যীশু বলেছিলেন যে তোমার সমস্ত হৃদয়, আত্মা আর মন দিয়ে তোমার ঈশ্বরকে ভালোবাসো এবং তোমার প্রতিবেশিকে নিজের মত ভালোবাসো .
যীশু জিজ্ঞাসা করেছিলেন খ্রীষ্ট কার সন্তান.
ফরীশীরা বলেছিল যে খ্রীষ্ট দায়ূদের সন্তান.
যীশু তারপর তাদের জিজ্ঞাসা করেন দায়ূদ কিভাবে তাঁর ছেলেকে প্রভু .
ফরীশীরা যীশুর কথার উত্তর দিতে পারে নি.